উদ্ভিদের চলন MCQ: Important 20টি প্রশ্নোত্তর | Plant Movement MCQ in Bengali

উদ্ভিদের চলন MCQ: পটভূমি ও গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত আলোচনা

উদ্ভিদ জগতের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দীপকের প্রভাবে সাড়া দেওয়া বা সংবেদনশীলতা। সাধারণত উদ্ভিদের চলন ও সাড়াপ্রদান (Plant Movement) মূলত বহিঃস্থ উদ্দীপক যেমন আলো, জল, স্পর্শ বা অভিকর্ষের গতিপথ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় অক্সিন হরমোন ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য উদ্ভিদের চলন MCQ অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ট্যাকটিক, ট্রপিক এবং ন্যাস্টিক চলনের পার্থক্য ও উদাহরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যেমন—লজ্জাবতীর সিসমোন্যাস্টিক চলন বা টিউলিপ ফুলের থার্মোন্যাস্টিক চলন। এই পোস্টে আমরা Plant Movement MCQ in Bengali-এর Important 20টি প্রশ্নোত্তর এবং Extra Info নিয়ে আলোচনা করেছি যা আপনার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে।

INFO

সঠিক উত্তর দেখার নিয়মাবলী

প্রতিটি প্রশ্নের চারটি অপশন রয়েছে, সঠিক উত্তরটি জানার জন্য নিচের “Show Answer” বাটনটিতে ক্লিক করুন।
(নোট: 2য় বার ক্লিক করলে উত্তরটি Hide হবে এবং 3য় বার ক্লিক করলে আবার দেখা যাবে।)

উদ্ভিদের চলন MCQ: পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ 20টি প্রশ্নোত্তর

1. উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদের চলনকে কী বলে?
(A) ট্যাকটিক চলন
(B) ট্রপিক চলন
(C) ন্যাস্টিক চলন
(D) কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: (C) ন্যাস্টিক চলন Extra Info: ন্যাস্টিক চলন উদ্দীপকের উৎসের দিকে না হয়ে উদ্দীপকের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, পদ্মফুল দিনের আলোয় ফোটে এবং কম আলোয় বুজে যায়। এটি উদ্ভিদের অস্থায়ী অঙ্গজ চলন।
2. উদ্ভিদের মূলের জলের অভিমুখে অগ্রসর হওয়া কোন ধরনের চলন?
(A) ফটোট্রপিক চলন
(B) হাইড্রোট্রপিক চলন
(C) জিওট্রপিক চলন
(D) থার্মোন্যাস্টিক চলন

সঠিক উত্তর: (B) হাইড্রোট্রপিক চলন Extra Info: যখন উদ্ভিদের অঙ্গের চলন জলের উৎসের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে হাইড্রোট্রপিক চলন বলে। উদ্ভিদের মূল সবসময় জলের সন্ধানে মাটির গভীরে ছড়িয়ে পড়ে। এটি এক প্রকার আবিষ্ট বক্র চলন।
3. লজ্জাবতী লতার পাতা স্পর্শ করলে তৎক্ষণাৎ বুজে যায়—এটি কীসের উদাহরণ?
(A) সিসমোন্যাস্টিক চলন
(B) কেমোন্যাস্টিক চলন
(C) ফটোন্যাস্টিক চলন
(D) নিকটিন্যাস্টিক চলন

সঠিক উত্তর: (A) সিসমোন্যাস্টিক চলন Extra Info: স্পর্শ, আঘাত বা ঘর্ষণের তীব্রতায় যে চলন ঘটে তাকে সিসমোন্যাস্টিক চলন বলে। পাতার পালভাইনাস অংশে রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের ফলে পাতাগুলো বুজে যায়। একে স্পর্শব্যাপ্তি চলনও বলা হয়ে থাকে।
4. আলোক উদ্দীপকের প্রভাবে ক্লামাইডোমোনাস-এর স্থান পরিবর্তনকে কী বলে?
(A) ফটোট্রপিক চলন
(B) ফটোন্যাস্টিক চলন
(C) ফটোট্যাকটিক চলন
(D) নিকটিন্যাস্টিক চলন

সঠিক উত্তর: (C) ফটোট্যাকটিক চলন Extra Info: উদ্দীপকের প্রভাবে যখন সমগ্র উদ্ভিদের বা উদ্ভিদ অঙ্গের স্থান পরিবর্তন ঘটে তখন তাকে ট্যাকটিক চলন বলে। আলো এখানে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে বলে একে ফটোট্যাকটিক চলন বলা হয়। নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদ যেমন ভলভক্স বা ক্লামাইডোমোনাস-এ এটি দেখা যায়।
5. সূর্যমুখী ফুল আলোর তীব্রতায় ফোটে—এটি কোন ধরনের চলন?
(A) ফটোট্রপিক
(B) ফটোন্যাস্টিক
(C) ফটোট্যাকটিক
(D) থার্মোন্যাস্টিক

সঠিক উত্তর: (B) ফটোন্যাস্টিক Extra Info: আলোর তীব্রতার ওপর নির্ভর করে যখন উদ্ভিদ অঙ্গের চলন ঘটে তখন তাকে ফটোন্যাস্টিক চলন বলে। সূর্যমুখী ফুল দিনের তীব্র আলোয় ফোটে এবং সন্ধ্যার কম আলোয় বুজে যায়। এটি উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
6. নিচের কোনটি জিওট্রপিক চলনের উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে?
(A) আলো
(B) জল
(C) অভিকর্ষ বল
(D) রাসায়নিক পদার্থ

সঠিক উত্তর: (C) অভিকর্ষ বল Extra Info: পৃথিবী বা অভিকর্ষ বলের টানে উদ্ভিদের অঙ্গের চলনকে জিওট্রপিক চলন বলে। উদ্ভিদের প্রধান মূল পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে বা অভিকর্ষের অনুকূলে অগ্রসর হয়। কান্ড সবসময় অভিকর্ষের প্রতিকূলে অর্থাৎ উপরের দিকে বৃদ্ধি পায়।
7. বনচাঁড়ালের পাতায় যে চলন দেখা যায় তাকে কী বলা হয়?
(A) ট্যাকটিক চলন
(B) ন্যাস্টিক চলন
(C) প্রকরণ চলন
(D) ট্রপিক চলন

সঠিক উত্তর: (C) প্রকরণ চলন Extra Info: কোষের রসস্ফীতি চাপের পরিবর্তনের কারণে বনচাঁড়ালের পার্শ্বপত্রক দুটি পর্যায়ক্রমে ওঠানামা করে। একে প্রকরণ চলন বা বলন (Nutation) বলা হয়ে থাকে। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এই চলন নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেছিলেন।
8. টিউলিপ ফুল বেশি উষ্ণতায় ফোটে এবং কম উষ্ণতায় বুজে যায়—এটি কীসের উদাহরণ?
(A) থার্মোন্যাস্টিক চলন
(B) সিসমোন্যাস্টিক চলন
(C) কেমোন্যাস্টিক চলন
(D) ফটোন্যাস্টিক চলন

সঠিক উত্তর: (A) থার্মোন্যাস্টিক চলন Extra Info: উদ্দীপক হিসেবে তাপমাত্রার তীব্রতার ওপর নির্ভর করে এই চলন ঘটে। নির্দিষ্ট উষ্ণতার নিচে এই ফুলগুলি আর প্রস্ফুটিত হতে পারে না। এটি ন্যাস্টিক চলনের একটি বিশেষ প্রকারভেদ।
9. সূর্যশিশির বা ড্রোসেরা উদ্ভিদের পাতায় পতঙ্গ বসলে তা তৎক্ষণাৎ বন্ধ হয়ে যায়—এটি কী?
(A) কেমোন্যাস্টিক চলন
(B) থার্মোন্যাস্টিক চলন
(C) সিসমোন্যাস্টিক চলন
(D) ফটোট্যাকটিক চলন

সঠিক উত্তর: (A) কেমোন্যাস্টিক চলন Extra Info: কোনো রাসায়নিক পদার্থের (যেমন প্রোটিন) সংস্পর্শে এলে এই ধরনের চলন ঘটে। পতঙ্গের দেহে থাকা প্রোটিন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে এবং পাতার কর্ষিকাগুলিকে বাঁকিয়ে দেয়। এটি পতঙ্গভুক উদ্ভিদের পুষ্টি সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া।
10. উদ্ভিদের ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণে কোন হরমোন প্রধান ভূমিকা পালন করে?
(A) জিব্বারেিলিন
(B) সাইটোকাইনিন
(C) অক্সিন
(D) ইথিলিন

সঠিক উত্তর: (C) অক্সিন Extra Info: অক্সিন হরমোন উদ্ভিদের ফটোট্রপিক এবং জিওট্রপিক চলনে সরাসরি সাহায্য করে। আলোর বিপরীতে কান্ডে বেশি অক্সিন জমা হওয়ায় সেই দিকটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং কান্ড আলোর দিকে বেঁকে যায়। এটি কোষের বিভাজন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

🌟 সঠিক প্রস্তুতিই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। আশা করি এই উদ্ভিদের চলন MCQ (Plant Movement MCQ in Bengali) গুলি আপনার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে। নিয়মিত পড়াশোনার মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জয়ী হতে পারবেন।

11. পদ্মফুল দিনের বেলা ফোটে এবং রাত্রিবেলা বুজে যায়—এটি কী ধরনের চলন?
(A) ফটোন্যাস্টিক চলন
(B) ফটোট্রপিক চলন
(C) নিকটিন্যাস্টিক চলন
(D) কেমোন্যাস্টিক চলন

সঠিক উত্তর: (A) ফটোন্যাস্টিক চলন Extra Info: ফটোন্যাস্টিক চলন আলোর তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে ঘটে। পদ্ম ছাড়াও সূর্যমুখী ফুলের ক্ষেত্রেও এই ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে ফুলগুলি নির্দিষ্ট সময়ে প্রস্ফুটিত হওয়ার সুযোগ পায়।
12. জানলার কাছে রাখা টবের গাছ আলোর দিকে বেঁকে যায়—এটি কোন ধরনের চলন?
(A) নেগেটিভ ফটোট্রপিক
(B) পজিটিভ ফটোট্রপিক
(C) সিসমোন্যাস্টিক
(D) পজিটিভ জিওট্রপিক

সঠিক উত্তর: (B) পজিটিভ ফটোট্রপিক Extra Info: উদ্ভিদের কান্ড আলোর উৎসের দিকে বৃদ্ধি পায় বলে একে পজিটিভ ফটোট্রপিক চলন বলা হয়। উদ্ভিদের মূল আলোর বিপরীত দিকে যায় বলে তাকে নেগেটিভ ফটোট্রপিক বলে। এটি উদ্ভিদের একটি বৃদ্ধিজ বক্র চলন।
13. উদ্ভিদের চলন পরিমাপক যন্ত্রটির নাম কী?
(A) থার্মোমিটার
(B) ব্যারোমিটার
(C) ক্রেসকোগ্রাফ
(D) হাইগ্রোমিটার

সঠিক উত্তর: (C) ক্রেসকোগ্রাফ Extra Info: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন উদ্ভিদের অতি সামান্য বৃদ্ধি ও চলন মাপার জন্য। এই যন্ত্রের সাহায্যে তিনি প্রমাণ করেন যে উদ্ভিদও উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। এটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক আবিষ্কার।
14. সুন্দরী গাছের শ্বাসমূলের উপরের দিকে উঠে আসা কোন চলনের উদাহরণ?
(A) পজিটিভ জিওট্রপিক
(B) নেগেটিভ জিওট্রপিক
(C) পজিটিভ ফটোট্রপিক
(D) কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: (B) নেগেটিভ জিওট্রপিক Extra Info: সাধারণ মূল অভিকর্ষের অনুকূলে গেলেও লবণাম্বু উদ্ভিদের শ্বাসমূল অভিকর্ষের প্রতিকূলে বা উপরের দিকে উঠে আসে। একে নেগেটিভ জিওট্রপিক বা প্রতিকূল অভিকর্ষবর্তী চলন বলা হয়। মূলত অক্সিজেনের অভাব মেটাতেই এই অভিযোজন ঘটে।
15. উদ্ভিদের কোন অঙ্গে পজিটিভ জিওট্রপিক চলন দেখা যায়?
(A) পাতা
(B) কান্ড
(C) মূল
(D) ফুল

সঠিক উত্তর: (C) মূল Extra Info: মূল সবসময় অভিকর্ষের প্রভাবে মাটির নিচের দিকে অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে বৃদ্ধি পায়। তাই একে পজিটিভ জিওট্রপিক চলন বলা হয়। এটি উদ্ভিদকে মাটির সাথে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখতে সাহায্য করে।
16. তেঁতুল পাতার দিনের বেলা খোলা এবং রাতে মুদে যাওয়াকে কী বলে?
(A) ফটোন্যাস্টিক
(B) নিকটিন্যাস্টিক
(C) থার্মোন্যাস্টিক
(D) সিসমোন্যাস্টিক

সঠিক উত্তর: (B) নিকটিন্যাস্টিক Extra Info: আলো ও উষ্ণতা এই দুই উদ্দীপকের সম্মিলিত প্রভাবে যখন ন্যাস্টিক চলন ঘটে, তখন তাকে নিকটিন্যাস্টিক বা নিদ্রা চলন বলে। বাবলা বা তেঁতুল গাছের পাতায় এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এটি উদ্ভিদের প্রাকৃতিক ছন্দের একটি অংশ।
17. ফার্নের শুক্রাণুর ম্যালিক অ্যাসিডের প্রভাবে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হওয়া কী?
(A) ফটোট্যাকটিক
(B) কেমোট্যাকটিক
(C) হাইড্রোট্যাকটিক
(D) থার্মোট্যাকটিক

সঠিক উত্তর: (B) কেমোট্যাকটিক Extra Info: কোনো রাসায়নিক উদ্দীপকের প্রভাবে যখন সমগ্র দেহের চলন ঘটে তখন তাকে কেমোট্যাকটিক চলন বলে। ম্যালিক অ্যাসিড এখানে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে যা শুক্রাণুকে আকৃষ্ট করে। এটি যৌন জনন প্রক্রিয়ার একটি প্রাথমিক ধাপ।
18. উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বক্র চলনকে কী বলা হয়?
(A) ট্যাকটিক চলন
(B) ট্রপিক চলন
(C) ন্যাস্টিক চলন
(D) কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: (B) ট্রপিক চলন Extra Info: ট্রপিক চলন সবসময় উদ্দীপকের উৎসের গতিপথ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি একটি স্থায়ী বৃদ্ধির ফলে ঘটে এবং মূলত হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উচ্চশ্রেণীর উদ্ভিদে এই চলন সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
19. বল্লমাকার পাতা বা টিউলিপের ক্ষেত্রে কোন ধরনের চলন অধিক পরিলক্ষিত হয়?
(A) থার্মোন্যাস্টিক
(B) ফটোন্যাস্টিক
(C) সিসমোন্যাস্টিক
(D) কেমোন্যাস্টিক

সঠিক উত্তর: (A) থার্মোন্যাস্টিক Extra Info: উষ্ণতার হ্রাস-বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে টিউলিপ ফুলের দলমন্ডলের এই চলন ঘটে। বেশি তাপমাত্রায় ফুলের পাপড়িগুলি খুলে যায় এবং তাপমাত্রা কমলে বন্ধ হয়ে যায়। এটি পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে ঘটা একটি প্রক্রিয়া।
20. মস উদ্ভিদের শুক্রাণুর সুক্রোজের প্রভাবে চলন কোন প্রকারের?
(A) কেমোট্যাকটিক চলন
(B) ফটোট্যাকটিক চলন
(C) হাইড্রোট্রপিক চলন
(D) ফটোট্রপিক চলন

সঠিক উত্তর: (A) কেমোট্যাকটিক চলন Extra Info: সুক্রোজ নামক শর্করা জাতীয় পদার্থের আকর্ষণে মসের শুক্রাণু ডিম্বাণুর দিকে ছুটে যায়। যেহেতু এখানে রাসায়নিক উদ্দীপকের প্রভাবে পুরো দেহের স্থান পরিবর্তন হচ্ছে, তাই এটি কেমোট্যাকটিক চলন। এটি উদ্ভিদের একটি জটিল জৈবিক সাড়াপ্রদান।

People also ask

উদ্ভিদের চলন কাকে বলে?

উদ্দীপকের প্রভাবে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উদ্ভিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যে সঞ্চালন ঘটে, তাকে উদ্ভিদের চলন বলে। এর মাধ্যমে উদ্ভিদ নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থেকেই উদ্দীপনায় সাড়া দেয়।

উদ্ভিদের চলনকে কী বলে?

উদ্ভিদের চলনকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘প্ল্যান্ট মুভমেন্ট’ (Plant Movement) বলা হয়। উদ্দীপকের প্রভাবে উদ্ভিদের এই চলন বা সাড়া দেওয়ার ক্ষমতাকে সংবেদনশীলতা বা উত্তেজিতাও বলা হয়।

উদ্ভিদের চলন কয় প্রকার ও কী কী?

উদ্ভিদের চলনকে প্রধানত 3টি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা— ১. ট্যাকটিক চলন (Tactic Movement), ২. ট্রপিক চলন (Tropic Movement) এবং ৩. ন্যাস্টিক চলন (Nastic Movement)।

উদ্ভিদের চলন এর উদ্দেশ্য কী?

উদ্ভিদের চলনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো আলো, জল ও খনিজ লবণের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করা, প্রতিকূল পরিবেশ থেকে আত্মরক্ষা করা এবং বংশবিস্তারে সহায়তা করা।

চলন্ত উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?

সাধারণত উদ্ভিদ এক জায়গায় স্থির থাকে, তবে ক্লামাইডোমোনাস (Chlamydomonas) এবং ভলভক্স (Volvox)-এর মতো নিম্নশ্রেণীর শৈবাল ট্যাকটিক চলনের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে।

উদ্ভিদের জিওট্রপিজম ও ফটোট্রপিজম এর পার্থক্য কী?

ফটোট্রপিজম হলো আলোর উৎসের দিকে উদ্ভিদের অঙ্গের চলন (যেমন: কান্ড), আর জিওট্রপিজম হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের টানে বা কেন্দ্রের দিকে উদ্ভিদের অঙ্গের চলন (যেমন: মূল)।

🔗 গুরুত্বপূর্ণ আরও টপিক:

📌 স্মার্ট স্টাডি টিপস: উদ্ভিদের চলন ও সাড়াপ্রদান

এই অধ্যায়টি সহজে আয়ত্ত করতে এবং পরীক্ষায় ভালো ফল পেতে নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

  • পার্থক্য বুঝে পড়ুন: উদ্দীপকের গতিপথ (ট্রপিক) বনাম উদ্দীপকের তীব্রতা (ন্যাস্টিক)—এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখলে উদাহরণ চিনতে ভুল হবে না।
  • বিজ্ঞানী ও যন্ত্রের নাম: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র এবং বনচাঁড়াল বা লজ্জাবতী উদ্ভিদের ওপর তাঁর পরীক্ষাগুলো নোট করে রাখুন।
  • ছকের ব্যবহার: বিভিন্ন প্রকার চলন এবং তাদের উদ্দীপকের নাম একটি ছোট ছক বানিয়ে পড়ার টেবিলের সামনে রাখুন।
  • নিয়মিত প্র্যাকটিস: প্রতিমাসে অন্তত 2-3বার উদ্ভিদের চলন MCQ (Plant Movement MCQ in Bengali) রিভিশন দিন যাতে তথ্যগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়।

🌟 সাফল্যের বার্তা: প্রতিটি ছোট পদক্ষেপই আপনাকে বড় সাফল্যের দিকে নিয়ে যায়। ধৈর্য হারাবেন না, নিয়মিত পরিশ্রমই আপনার স্বপ্নপূরণের চাবিকাঠি। উদ্ভিদের চলন MCQ-এর ন্যায় আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া জীবনবিজ্ঞানের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ MCQ ও মক টেস্ট গুলো নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন। আপনার প্রস্তুতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা সর্বদা আপনার পাশে আছি। শুভকামনা!

Leave a Comment